Engineer's Solutions

The Site is Engineering and Science Related

২১ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট

২১ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট - বাংলা

 

১। ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ কার রচনা?

(ক) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্              (খ) মুহম্মদ আবদুল হাই

(গ) মুনীর চৌধুরী                    (ঘ) মোফাজ্জল হায়দার চৌধূরী

 

উত্তর: (ক) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্             

ব্যাখ্যা:  বিশিষ্ট ভাষাবিদ, গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯খ্রি) ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ (১৯৬৫), ‘ভাষা ও সাহিত্য’ (১৯৩১) এবং ‘ বাংলা ব্যাকরণ’ (১৯৬৫) ভাষাতত্ত্ব’  বিষয়ক গ্রন্থ রচনা করেন।

 

২। ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ কার রচনা?

(ক) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর           (খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

(গ) রামমোহন রায়               (ঘ) কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়

 

উত্তর: (খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

ব্যাখ্যা: লেখক, সমাজ সংস্কার ও শিক্ষাবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৯৯১খ্রি.) একটি মৌলিক গ্রন্থ ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ । তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- ‘ বেতালপঞ্চবিংশতি’( হিন্দি বৈতালপচ্চীসীর বঙ্গানুবাদ) ‘শকুন্তলা’ (কালিদাসের ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম’ নাটকের উপাখ্যান ভাগের বঙ্গানুবাদ), ভ্রান্তিবিলাস’ (শেক্সপীয়রের Comedy of Errors-এর বঙ্গানুবাদ) ইত্যাদি।

 

৩। ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ কার রচনা?

(ক) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়      (খ) নবীনচন্দ্র সেন

(গ) মাইকেল মধূসূদন দত্ত       (ঘ) রঙ্গালাল বন্দ্যোপাধ্যায়

 

উত্তর: (গ) মাইকেল মধূসূদন দত্ত      

ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা লেখেন কবি ও নাট্যকার মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩খ্রি.) । তার রচিত সনেটসমুহ ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ (১৮৬৬) তে সংকলিত। প্রশ্নে উল্লিখিত অন্য কবি-সাহিত্যিকগণ সনেট রচনা করেননি।

 

৪। কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত গ্রন্থ?

(ক)বিষের বাশী  (খ) বন্দীর বন্দনা (গ) সন্দ্বীপের চর  (ঘ) রূপসী বাংলা

 

উত্তর: (ক) বিষের বাশী 

ব্যাখ্যা: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬খ্রি.)’বিষের বাশী’ (১৯২৪) একটি বিদ্রোহাত্মক কাব্যগ্রন্থ। তার এরূপ আরো কিছু কাব্যগ্রন্থ হলো- ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২), ‘ভাঙার গান’ (১৯২৪),  ‘সাম্যবাদী’, (১৯২৫), ‘সর্বহারা’ (১৯২৬), ‘ফনি-মনসা’ (১৯২৭), ‘জিঞ্জির’ (১৯২৮), ‘সন্ধ্যা’ (১৯২৯) এবং ‘প্রলয়-শিখা’ (১৯৩০) । অন্যদিকে ‘বন্দীর বন্দনা’  (১৯৩০) কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন কবি,  কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, অনুবাদক ও সম্পাদক বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪খ্রি) । ‘রূপসী বাংলা’ (১৯৫৭), কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন কবি জীবনান্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪খ্রি.)

 

৫। ‘কবর’ নাটক কার রচনা-

(ক) শহীদুল্লাহ কায়সার           (খ) জহির রায়হান

(গ) মুনীর চৌধুরী                  (ঘ) সত্যেন সেন

 

উত্তর: (গ) মুনীর চৌধুরী                 

ব্যাখ্যা: শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সমালোচক ও বাগ্মী মুনীর চৌধুরী (১৯২৫-১৯৭১ খ্রি.) ‘কবর’ (১৯৬৬) নাকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভুমিতে রচনা করেন। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটক হলো- ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ (১৯৬২)’ চিঠি’ (১৯৬৬), দন্ডকারণ্য’ (১৯৬৬) ইত্যাদি।

 

৬। ‘চাদরে হাট’ অর্থ কি?

(ক) বন্ধুদের সমাগম               (খ) আত্মীয় সমাগম

(গ) প্রিয়জন সমাগম               (ঘ) গণ্যমান্যদের সমাগম

 

উত্তর: (খ) আত্মীয় সমাগম

ব্যাখ্যা: ‘চাদের হাট’ একটি বাগধারা, যার অর্থ ‘ধনে জনে পরিপূর্ণ সুখের সংসার’ বা সুন্দর ও সুরেশ মানুষজনের সমাবেশ।

 

৭। কোন বানানটি শুদ্ধ?

(ক) সূচিষ্মিতা    (খ) সূচিস্মিতা   (গ) সুচীস্মিতা   (ঘ) সুচিস্মিতা

 

Note: শুদ্ধ বানান ‘শুচিস্মিতা’, যার অর্থ মৃদু ও নির্মল হাসিযুক্ত।]

 

৮। ‘কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই’ এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কি?

(ক) ক্লান্তিহীন    (খ) অক্লান্ত   (গ) অক্লান্ত কর্মী   (ঘ) অবিশ্রাম

 

উত্তর: (গ) অক্লান্ত কর্মী  

 

৯। ণত্ব বিধি সাধারণত কোন শব্দে প্রযোজ্য ?

(ক) দেশী      (খ) বিদেশী      (গ) তৎসম       (ঘ) তদ্ভব

 

উত্তর: (গ) তৎসম

ব্যাখ্যা: যে বিধান বা নিয়ম অনুসারণে  তৎসম বা সংস্কৃত  শব্দে ‘ণ’ (মূর্ধন্য-ণ) ও ‘ন’ (দন্ত্য-ন) –এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায় তাকে ণত্ব বিধান বলে। উল্লেখ্য, খাটি বাংলা ও বিদেশী শব্দে মূর্ধন্য-ণ হয় না। যেমন, কান, সোনা, কুরআন, গভর্নর, ইরান ইত্যাদি।

 

১০। ক্রিয়াপদ      

(ক)সবসময়ে বাক্যে থাববে

(খ) কখনো কখনো বাক্যে উহ্য থাকতে পারে

(গ) শুধু অতীতকালে বোঝাতে বাক্যে ব্যবহৃত হয়

(ঘ) আসলে বিশেষণ থেকে অভিন্ন

 

উত্তর: (খ) কখনো কখনো বাক্যে উহ্য থাকতে পারে

ব্যাখ্যা: যে পদ দ্বারা কোন কার্য সম্পাদন বোঝায় তাকে ক্রিয়াপদ বলে। বাক্যের দুটি অংশের (উদ্দেশ্য ও বিধেয়) উদ্দেশ্য অংশে থাকে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের এবং বিধেয় অংশে থাকে ক্রিয়াপদের প্রাধান্য। প্রকৃতপক্ষে, বিধেয় ছাড়া যর্থাথ বাক্য হয় না এবং সেই সুত্রে ক্রিয়াপদ ছাড়া বাক্য হয় না। অনেক সময় অন্যান্য পদ উহ্য রেখে শুধু ক্রিয়াপদ দিয়েই মনের ভাব প্রকাশ করা যায়।

 

১১। কোনটি অনুজ্ঞা?

(ক)তুমি গিয়েছিলে  (খ) তুমি যাও   (গ) তুমি যাচ্ছিলে  (ঘ) তুমি যাচ্ছ

 

উত্তর: (খ) তুমি যাও  

ব্যাখ্যা: কিছু করার আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, আর্শীবাদ, প্রাথনা-কামনা, অনুমতি ইত্যাদি বোঝাতে ক্রিয়ার যে বিশেষ রীতি ব্যবহৃত হয় তাকে অনুজ্ঞা (ভাব) বলা হয়। যেমন- বর্তমান কালে: কলমটি দাও। ভবিষ্যৎ কাল: কাল দেখা হবে ইত্যাদি । সুতারাং ‘তুমি যাও’ একটি অনুজ্ঞা।

 

১২। ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা’এখানে ‘মুখ’ বলতে কী বোঝাচ্ছে?

(ক) অনুভুতি  (খ) গালি   (গ) প্রত্যঙ্গ   (ঘ) শক্তি

 

উত্তর: (ঘ) শক্তি ।

ব্যাখ্যা: যে ভাষার শব্দভান্ডার যত সমৃদ্ধ এবং যত বেশি অর্থবৈচিত্র্যে ঋদ্ধ সেই ভাষা তত উন্নত বলে স্বীকৃত। বাংলা একটি সমৃদ্ধ ভাষা হওয়ায় এ ভাষায় বানান ও উচ্চারণগত অভিন্নতা সত্ত্বেও একই শব্দ বাক্যের মধ্যে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে থাকে। উপরিউক্ত প্রশ্নে ‘মুখ’ দ্বারা এখানে স্পষ্টতই শক্তি বুঝানো হয়েছে।

 

১৩। কোন বানানটি শুদ্ধ?

(ক) মুমুর্ষু     (খ) মুমূর্ষু    (গ) মূমুর্ষু   (ঘ) মূমূর্ষূ

 

উত্তর: (খ) মুমূর্ষু ।

ব্যাখ্যা: শুদ্ধ বানান ‘মুমূর্ষু’ শব্দটির অর্থ মরণাপন্ন বা মনণোম্মুখ (মুমূর্ষু অবস্থা)।

 

১৪। ‘বিরাগী’ শব্দের অর্থ কী?

(ক) উদাসীন    (খ) প্রতিকূল   (গ) রাগহীন   (ঘ) বিশেষভাবে রুষ্ট

 

উত্তর: (ক) উদাসীন ।

ব্যাখ্যা: ‘বিরাগী’ একটি পুরুষবাচক শব্দ, যার অর্থ বিরাগযুক্ত, উদাসীন, নিস্পৃহ বা বিরক্ত। ‘বিরাগী’ শব্দটির স্ত্রীবাচক রূপ হলো ‘বিরাগিনী’।

 

১৫। ‘ব্রজবুলি’ বলতে কী বোঝায়?

(ক) ব্রজধামে কথিত ভাষা      (খ) একরকম কৃত্রিম কবিভাষা

(গ) বাংলা ও হিন্দির যোগফল   (ঘ) মৈথিলি ভাষার একটি উপভাষা

 

উত্তর: (খ) একরকম কৃত্রিম কবিভাষা

ব্যাখ্যা: ‘ব্রজবুলি’ হলো মৈথিলী ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে গঠিত এক প্রকার কৃত্রিম কবিভাষা। এই ভাষায় বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন অনেক কবি, যাদের মধ্যে গোবিন্দদাস, বিদ্যাপতি, চন্ডীদাস ও জ্ঞানদাস অন্যতম। উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও ব্রজবুলি ভাষায় ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী নামে কাব্য রচনা করেন।

 

১৬। ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই- কে বলেছেন?

(ক)চন্ডীদাস   (খ)বিদ্যাপতি   (গ)রামকৃষ্ণ পরমহংস  (ঘ)বিবেকানন্দ

 

উত্তর: (ক) চন্ডীদাস ।

ব্যাখ্যা: এই অমর উক্তিটি করেছেন মধ্যযুগের প্রখ্যাত কবি বাংলা ভাষায় পদাবলীর আদি রচয়িতা চন্ডীদাস। উল্লেখ্য, পদাবলীতে ভিন্ন ভিন্ন চন্ডীদাসের নাম (চন্ডীদাস দ্বিজ, চন্ডীদাস দীন, চন্ডীদাস আদি, ইত্যাদি) জানা যায়। তাবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, চন্ডীদাস তিনজন- বডু চন্ডীদাস, দ্বিজ চন্ডীদাস এবং দীন চন্ডীদাস। যাদের মধ্যে বডু চন্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা এবং দ্বিজ ও দীন পদাবলীর কবি।

 

১৭। কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা?

(ক) চতুরঙ্গ    (খ) চতুস্কোণ   (গ) চতুর্দশী   (ঘ) চতুষ্পাঠী

 

উত্তর: (ক) চতুরঙ্গ ।

ব্যাখ্যা: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চতুরঙ্গ’ (১৯১৬) একটি উপন্যাস। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো- ‘গোরা’ (১৯১০) , ‘ঘরে-বাইরে’ (১৯১৬), ‘ শেষের কবিতা’ (১৯২৯) ইত্যাদি।

 

১৮। কোনটি কাব্যগ্রন্থ?

(ক)কবিতা  (খ)কাব্য পরিক্রমা  (গ)কয়েকটি কবিতা (ঘ) বাঙলার কাব্য

 

উত্তর: (গ) কয়েকটি কবিতা

ব্যাখ্যা: নাগরিক কবি সমর সেন (১৯১৬-১৯৮৭খ্রি) রচিত ‘কয়েকটি কবিতা’(১৯৩৭) একটি কাব্যগ্রন্থ।

 

১৯। কোনটি নাটক?

(ক) কার্তার ইচ্ছায় কর্ম  (খ) গড্ডলিকা  (গ) পল্লীসামাজ  (ঘ) সাজাহান

 

উত্তর: (ঘ) সাজাহান ।

ব্যাখ্যা: ‘সাজাহান’ (১৯০৯) কবি ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬০-১৯১৩খ্রি.)  রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক। ‘গড্ডলিকা’ (১৯২৪) বিশিষ্ট লেখক রাজশেখর বসু (১৮৮০-১৯৬০খ্রি,) রচিত একটি ছোটগল্প। অন্যদিকে ‘পল্লী সমাজ’ (১৯১৬), খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬-১৯৩৮) রচিত একটি উপন্যাস।

 

২০’আবোল-তাবোল’ কার লেখা?

(ক)  উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী    (খ) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

(গ) সুকুমার রায়                    (খ) সত্যজিৎ  রায়

 

উত্তর: (গ) সুকুমার রায়                   

ব্যাখ্যা: প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও শিশুতোষ পত্রিকা ‘সন্দেশ’ (১৯১৩) প্রতিষ্ঠাতা সুকুমার রায় (১৮৮৭-১৯২৩খ্রি.) –এর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত ‘আবোল-তাবোল’ (১৯২৩) ‘হ-য-ব-র-ল’ (১৯২৪) ‘পাগলা দাশু’ (১৯৪০), ‘বহুরূপী’ (১৯৪৪) ইত্যাদি বইগুলো বাংলা শিশুতোষ সাহিত্যের অমর সৃষ্টি।

ইংরেজী

Each question below consists of a related pair of words, Select the pair that best expresses a relationship sinilar to the expressed in the original pair.(21-24)

২১। Eager                      Indifferent.

(ক) concerned             careful.

(খ) anxious                   nervous

(গ) enthusiastic          halfhearted

(ঘ) devoted                  dedicated

 

উত্তর: (গ) enthusiastic          halfhearted ।

ব্যাখ্যা: Eager-উৎসাহী, আগ্রহী।

Indifferent- অনুৎসাহী, নি:স্পৃহ।

সুতারাং শব্দ দুটি পরস্পর বিরোধার্থক (Antonymous)

Option (ক) তে,
concerned- উদ্বিগ্ন এদের সম্পর্ক Antonymous নয়।
careful-সতর্ক
Option (খ) তে,
anxious- উদ্বিগ্ন এদের সম্পর্ক Antonymous নয়।
nerwus- সন্ত্রস্ত, ভীত
Option (গ) তে,
enthusiastic- উদ্যমী, সংকল্পবদ্ধ এদের সম্পর্ক Antonymous
halfhearted-নিরুদ্দম, হতোদ্যম
Option (ঘ) তে,
devoted- নিবেদিত এদের সম্পর্ক Antonymous
dedicated- নিবেদিত, উৎসগীকৃত

 

২২।  Lengthen          Prolong

(ক) stretch             Extend

(খ) Distance           Reduce

(গ) Draw out          Shorten

(ঘ)  Reach out      Cut short

 

উত্তর: (ক) stretch             Extend ।

ব্যাখ্যা:

Lengthen- প্রলম্বিত করা, দীর্ঘায়িত করা

Prolong- দীর্গয়িত করা প্রলম্বিত করা

এদের সম্পর্ক-Synonymous
Option (খ) তে

Stretch- দীর্ঘায়িত করা, প্রসারিত করা

Extend- প্রসারিত করা, দীর্ঘায়িত করা

এদের সম্পর্ক Synonymous
Option (খ) তে

Distance- দুরুত্ব

Reduce- হ্রাস করা

এদের সম্পর্ক Synonymous নয়
Option (গ) তে

Draw out- টেনে বের করা

Shorten-খাটো বা ছোট করা

এরা  Synonymous নয়
Option (ঘ) তে

Reach out-নাগালের বাইরে

Cut short-সংক্ষেপে করা,বাধা প্রদান

এরা  Synonymous নয়

 

২৩। Delay                     Retard

(ক) Postpone              Promote

(খ) adjourn                 Start.

(গ) slow down            hold up

(ঘ) defer                      accelerate

 

উত্তর: (গ) slow down            hold up ।

ব্যাখ্যা:

Delay-দেরি করা/করানো, কালক্ষেপণ

Retard- বিলম্বিত করা, প্রতিহত করা, আটকে দেয়া

এদের সম্পর্ক-Synonymous
Option (ক) তে

Postpone- বাতিল করা, মুলতবি করা, স্থগিত করা

promote- প্রসারিত করা, পদোন্নতি দান করা

এদের সম্পর্ক Antonymous
Option (খ) তে

adjourn- স্থগিত করা, মুলতবি করা,

Start- শুরু করা, আরম্ভ করা

এদের সম্পর্ক-Synonymous নয়
Option (গ) তে

slow sown- ধীরতা করা, গতিমন্থর করা, অবরোধ করা

hold up- মুলতবি রাখা, থামিয়ে রাখা

এদের সম্পর্ক-Synonymous
Option (খ) তে

defer- বিলম্বিত করা, মুলতবি করা

accelerate- ত্বরান্বিত করা, গতিবর্ধন করা

এরা Antonymous

 

২৪। Submissive          Disobedient.

(ক) comply                  conform

(খ) heed                       acquiesce

(গ) observe                 defy

(ঘ) obey                        hearken to

 

উত্তর: (গ) observe                 defy ।

ব্যাখ্যা:

Submissive- নম্র, বশ্য, বিনয়ী

Disobedient- অবিনয়ী, অনম্র

এদের সম্পর্ক- Antonymous
Option (ক) তে

comply- মেনে নেয়া,

conform-খাপ খাওয়ানো, মেনে চলা

এরা Antonymous নয়
Option (খ) তে

heed- কর্ণপাত করা, সাবধান হওয়া

acquiesce- সমর্থন দেয়া, সায় দেয়া

এরা Antonymous নয়
Option (গ) তে

observe- পালন করা, মেনে চলা

defy- উপেক্ষা করা, অমান্য করা

এরা পরস্পর Antonymous
Option (ঘ) তে

obey- মান্য করা, আনুগত্য করা

hearken to- কর্ণপাত করা;

এরা পরস্পর Antonymous নয়

 

Q.25 to 30 are incomplete sentences. choose the word or phrase that best completes the sentence.

 

২৫। He fantasizedwinning the lottery.

(ক) with    (খ) from       (গ) after        (ঘ) about

 

উত্তর: (ঘ) about ।

ব্যাখ্যা: Fantasize about- কল্পনা করা (কোন ঘটনা/ বস্তু সম্পর্কে) ।

 

২৬। The parthenon is said- erected in the Age of pericles.

(ক) to have become         (খ) to have begun

(গ) to have been            (ঘ) to have hed begun

 

উত্তর: (গ) to have been           

ব্যাখ্যা: Infinitive যুক্ত বাক্যেকে  passive করতে হলে infinitive হবে  to be/to have been+v.p.p।

 

২৭। He divided the monythe two children

(ক) among                    (খ) between

(গ) in between           (ঘ) over

 

উত্তর: (খ) between 

ব্যাখ্যা: সাধারণত দুয়ের মধ্যে কিংবা দুয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর প্রতিটিকে আলাদাভাবে বুঝিয়ে যখন এদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া বোঝানো হয় তখন ব্যবহৃত হয় between. আর দুয়ের অধিক ব্যক্তি, বস্তু বোঝালে অথবা ব্যক্তিবা বস্তুর Group বুঝালে তখন among ব্যবহৃত হয় ।

 

২৮। As they waited Rahim argued against war-

(ক) while his brother discusses the effect of pollotion

(খ) while his brother discussed the effects of pollution

(গ) while his brother was discussing the rffects of pollution

(ঘ) while his brother had discussed the effects of  pollution

 

উত্তর: (গ) while his brother was discussing the rffects of pollution

ব্যাখ্যা: প্রথমত, Main clause, past tens হয়। দ্বিতীয়, দুটি clause, while দ্বারা যুক্ত হলে যে clause টির শুরুতে while থাকবে সেটি continuous tense হবে।

 

২৯। If we want concrete proof, we are looking for

(ক) Clear evidence       (খ) buliding material

(গ) a cement mixer            (ঘ) something to cover apath

 

উত্তর: (ক) Clear evidence।

ব্যাখ্যা: Concrete proof- অর্থ হলো অকাট্য বা বাস্তব প্রমাণ। আর তার জন্য building material ( নির্মান সামগ্রী) a  cement mixer (সিমেন্টের মিশ্রণ) বা something to cover a path (রাস্তা ঢাকার জন্য কিছু) কোনোটিই দরকার নেই । দরকার হলো সুস্পষ্ট প্রমাণ (clear cvidence).

 

৩০। The olympic games were watched by – billions people all over the wald.

(ক) exactly  (খ) usually  (গ) truly (ঘ) lierally

 

উত্তর: (ঘ) lierally

ব্যাখ্যা: exactly – নির্ভুলভাবে, সঠিকভাবে।

usually – সচারাচর, সাধারণত ।

truly – যথাযথভাবে, সত্যিকারভাবে ।

lierally – আক্ষরিক অর্থে. মোটামোটি ।

যেহেতু কত লোক অলিম্পিক প্রত্যক্ষ করেছে তার রির্ভুল সংখ্যা নির্ণয় অসম্ভব তাই (ক) এবং (গ) – কে বাদ দেয়া যায় । আর usually দ্বারা repeated present বুঝায় বলে তা past tense – এ ব্যবহার না করাই শ্রেয় ।

 

৩১ ।The author thinks that true learning will lead to –

(ক) presonal understantding of the ideas of writers

(খ) disvovery of unknown world.

(গ) revelation of the mysteries of the world.

(ঘ) better expressive powers.

 

৩২। Whice of the following best dest describes the authors attitude towards learning?

(ক) learning is not a matter of reading extensively

(খ)learning is not something to be demonstrated in examinations.

(গ)learning is a matter of promoting creativity in stadents.

(ঘ) learning is a matter of menorization.

 

ব্যাখ্যা: ৩১ এবং ৩২ – প্র্রশ্ন দুটির উত্তর জন্য যে Reference দরকার তা প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়নি । সাধারণত Passage – এর উপর ভিত্তি করে এ ধরনের প্রশ্ন করা হয় । তাই মনে করা হয় যে, প্রশ্ন দুইটি ভুলক্রমে সংযোজিত হয়েছে । তবে PSC – এর উত্তরপত্র অনুযায়ী ৩১ – এর সঠিক উত্তর (ঘ) ও ৩২ – এর সঠিক উত্তর (গ) ।

 

Read the following passage and answer question number 33, 34, 35 and 36 that refer to passage .

The gypsies are a tribe of strange people . They do not have any fixed home, but wander about from place to place and live in tents. They were originaly natives of India. but as they reached England from Egypt, the English took them for Egyptians. This is why they came to be called gypsied. They were beloved to possess strange powers. They could tell your fortune by reading the palm of your hand. It was thought they stole little children to train them in their way of life. Whenever a child got lost, it was thought that it had been carried away by gypsies, so they were arrested and sent for trial. But this attitude towards the gypsies has grasually changed.

 

৩৩ । They gypsies are people who –

(ক) have a settled way of life .

(খ) came originally from Egypt to England

(গ) are always on the move

(ঘ) steal children to train them in the way of life.

 

উত্তর: (গ) are always on the move

ব্যাখ্যা : সঠিক উত্তর (গ) । কারণ, ২য় লাইনে বলা হয়েছে, They do not have any fixed home but wander about from place এবং একই কারণে (ক) সঠিক নয় । (যেহেতু fixed home নেই ।) (খ) সঠিক নয় । কারণ ৪র্থ লাইনে আছে They were orginally natives of india. (ঘ) সঠিক নয় । কারণ, passage – এর শেষাংশে বলা হয়েছে, This attitude towards the gypsies has gradually changed . কাজেই চুরির ব্যাপারটি ছিল সাধারণের ধারণা, সত্য ঘটনা নয় ।

 

৩৪। The gypsies like to live in tents because

(ক) it is easy to hide stolen children in a tent

(খ) it is easy to read ones palm inside a tend

(গ) it is easy to bring them from Egypt.

(ঘ) it is easy to pitch them.

 

উত্তর: (ঘ) it is easy to pitch them.।

ব্যাখ্যা : তাদের তাঁবুতে কারণ (ক) তে আছে, চুরি করা শিশুদের তাঁবুতে লকানো সহজ । কিন্তু তারা যেহেতু শিশু চুরি করে না, কাজেই (ক) গ্রহণযোগ্য নয় । (খ) তে আছে, তাঁবুর মধ্যে হাতের তালু পঠন (ভাগ্য গণনা) সহজ । কিন্তু তাঁবুর মধ্যই বরং অন্ধকার, তাই এটিও গ্রহণযোগ্য নয় ।

(গ) তে আছে, মিশর থেকে তাঁবু আনয়ন সহজ । আলোচ্য passage – এ ধরনের কোনো তথ্য দেয়া নেই । তাছাড়া মিশর সস্তায় তাঁবু তৈরি ও সরবরাহ করে তাও নয় । (ঘ) তে আছে, তাবু স্থাপন করা সহজ । হ্যাঁ এটা গ্রহণযোগ্য কারণ, যে কোনো বাসস্থানের চেয়ে তাবু স্থাপন করা সহজ ।

 

৩৫ । The English took them for Egyptians means –

(ক) The English took them to the Egyptians.

(খ)C considered them to be Egyptians.

(গ)The English were taken in by the Egyptians.

(ঘ)The English brought them as far as to Egypt.

 

উত্তর: (খ) C considered them to be Egyptians.।

ব্যাখ্যা : The English took them for Eguptians অর্থ হলো ইংরেজরা তাদেরকে মিশরায় মনে করত । সুতরাং অর্থের ক্ষেত্রে মনে করা অর্থটির উপস্থিতি জরুরি । যেহেতু Option (খ) তে consider রয়েছে যার অর্থ মনে করা।

 

৩৬। Attirtude towards the gypsies-

(ক) are still the same as before

(খ) have not much changed over the years.

(গ) can change one they stop stealing children

(ঘ) have shown signs of change.

 

উত্তর: (ঘ) have shown signs of change.।

ব্যাখ্যা : Option (ক) তে বলা হচ্ছে ধারণা পূর্বের মতই রয়েছে । Option (খ) তে বলা হচ্ছে অনেক বছর পরেও তা তেমন পরিবর্তিত হতে পারে । Option (গ) তে বলা হচ্ছে, তারা শিশু চুরি বন্ধ করলে হয়তো পরিবর্তিত হতে পারে । Option (ঘ) তে বলা হচ্ছে পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে (have shown the signs of change ). অন্যদিকে Passage – এর শেষ লাইনে বলা হয়েছে । But this attitude towaeds the gypsies has granually changed.

 

Questions 37 to 40 are incomplete sentences . choose the one word or phrase that best completes the sentence.

 

৩৭। The tree has been blown – by the strong wind.

(ক) away (খ) up (গ) off (ঘ) out

 

উত্তর: (ক) away ।

ব্যাখ্যা: Blow away অর্থ – এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে যাওয়া (বাতাসে) । Blow  up অর্থ – বিস্ফোরক ব্যবহার করে ধ্বংস করা Blow off অর্থ – অবস্থান সরানো (বাতাসে);Blow out অর্থ – আগুন নেভানো।

 

৩৮। No one can – that he is clever.

(ক) defy (খ) admire  (গ) deny  (ঘ) denounce

 

ব্যাখ্যা: defy – প্রকাশ্যে বিরোধিতা করা; deny – অস্বীকার করা; deniunce – অভিযুক্ত করা; admire প্রশংসা করা । বাক্যের ভাবার্থ অনুযায়ী (গ) ই সঠিক হওয়া শ্রেয়। কেননা বাক্যটির অর্থ হবে কেউই অস্বীকার করতে পারে না যে সে চুতুর ( None can deny that he is clever). অন্য শব্দগুলো বসালে এতটা সঙ্গতিপূর্ণ অর্থ হয় না ।

 

৩৯ । A reward has been announced for the employees who – hard.

(ক) have worked   (খ) has woeked

(গ) will be work      (ঘ) have had worked

 

উত্তর: (ক) have worked  

ব্যাখ্যা: এখানে বাক্যটির main clause, present perfect tense বলে subordinate clause টি যে কোনো tense হতে পারে । অন্যদিকে who বাক্যে employees কে represent করছে, যা plural . তাই পরবর্তী verb ও plural হবে অর্থাৎ have বসবে । তাই (খ) হবে না । অন্যদিকে (গ) তে will be – এর পর verb – এর সাথে ing নেই । তাই structure টি ভুল । আর (ঘ) তে passive form ব্যবহার করা হয়েছে । তাই এটি ভুল । কেননা worker গণ নিজেই কাজ করে ।

 

৪০। To – the arrival of spring, Bangladesh Television – a specail function–a special function.

(ক) commemorate: launched

(খ) announce: telrcast

(গ) celebrate: prganized

(ঘ) welcome: sanctioned

 

উত্তর: (গ) celebrate: prganized ।

ব্যাখ্যা: commemorate- স্মরণীয় করে রাখা। celebrate- উদযাপন করা, শ্রদ্ধা/ সম্মান প্রদার্শন করা। welcome স্বাগত জানানো।

এখন, বসন্তের আগমনকে ‘উদযাপন করা’ যায় কিন্তু ‘স্বাগত’ বা ‘সম্মান প্রদর্শন করা’ যায় না। সুতারাং (ক) ও (খ) কে সহজেই বর্জন করা যায়। এবার, উদযাপন করতে বা স্বাগত জানাতে বাংলাদেশে টেলিভশন বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারে (organized)

কিন্তু বিশেষ অনুষ্ঠান মঞ্জুর/ অনুমোদন (sanctioned) করা যায় না।

গনিত

Upcoming

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

৫১। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BSC) ক্যাডার কয়টি ?

(ক) ২৯টি     (খ) ২২টি               (গ) ২১ টি         (ঘ) ৫ টি

 

উত্তর: Note

[Note :বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BSC) ক্যাডার সংখ্যা ২৬ টি । ১৩ নভেম্বর ২০১৮ ইকনমিক ক্যাডার বিলুপ্ত করায় বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা হয় ২৬টি ।]

 

৫২। বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকরদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা

পায়?

(ক) ২৫      (খ) ২৮      (গ) ৪০       (ঘ) ৪২

 

উত্তর:

ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার অংশে বিশেষ উদ্দেশ্য মৌলিক অধিকার রহিত করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে । সংবিধানের ২৮(৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নারী ও শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন হতে এ অনুচ্ছেদের কোনোকিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করবে না।

 

৫৩। প্রধানমন্ত্রী নিযোগের বাইরে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত কোন কজ এককভাবে করতে পারেন?

(ক) প্রধান নির্বাচন কামশনার নিয়োগ

(খ) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ

(গ) অডিটর জেনারেল নিয়োগ

(ঘ) পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ

 

উত্তর: (খ) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ

ব্যাখ্যা: সংবিধানের ৪৮(৩) ও ৫৬(৩) ধারায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা উল্লেখ করা হয়েছে । ৮৪(৩) ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তার অন্য সকল দায়িত্ব পালনের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন।

 

৫৪। বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধনীয় উদ্দেশ্য কি ছিল ?

(ক) জরুরি অবস্থা ঘোষণা

(খ) মহিলাদের জন্য সংসদের আসন সংরক্ষণ

(গ) সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা

(ঘ) ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দির বিচার অনুষ্ঠান

 

উত্তর: (ঘ) ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দির বিচার অনুষ্ঠান

ব্যাখ্যা: মুক্তিযোদ্ধের ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্ধির বিচারের জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদানের লক্ষ্যে সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের সাথ ৪৭ (৩) অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয় এবং ৪৭ (ক) নামক নতুন অনুচ্ছেদ সংযোজিত করা হয় ।

 

৫৫। ঢাকা কখন সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী হয়েছিল ?

(ক)  ১২৫৫ খ্রিস্টাব্দে                               (খ) ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে

(গ) ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে                                (ঘ) ১৯৪৭ খিস্টাব্দে

 

উত্তর: (খ) ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে

ব্যাখ্যা: সম্রাট জাহাঙ্গীর সিংহাসনে আরোহণ করে ইসালাম খান চিশতীকে বাংলা অধিকারে প্রেরণ করেন । ইসলাম খান ১৬১০ সালে মুসা খানকে পরাজিত করে বাংলা অধিকার করেন এবং ঢাকার নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর । তিনি এ সময় রাজমহল থেকে ঢাকায় রাজধানী স্থানান্তর করেন ।

 

৫৬। যমুনা বঙ্গবন্ধু সেতুর পিলার কয়টি?

(ক) ৭৫টি      (খ) ৫৯টি      (গ) ৫০টি      (ঘ) ৪৫টি

 

উত্তর: (গ) ৫০টি

ব্যাখ্যা: যমুনা বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য৪.৮ কিমি ও প্রস্থ ১৮.৫ মি. । এ সেতুর স্প্যানের সংখ্যা ৪৯টি এবং পিলার ৫০টি।

 

৫৭। জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত জনে?

(ক) ৯০ জন      (খ) ৭৫ জন       (গ) ৬০ জন       (ঘ) ৫০ জন

 

উত্তর: (গ) ৬০ জন      

ব্যাখ্যা: সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্তিত সদস্য সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মূলতবী করিবেন । তাই কোরাম হয় ৬০ জনে ।

 

৫৮। জাতীয় সংসদ ভবন কত একর জমির উপর নির্মিত ?

(ক) ৩২০ একর   (খ) ২১৫ একর   (গ) ১৮৫ একর    (ঘ) ১২২ একর

 

উত্তর:

ব্যাখ্যা: ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের ভিত্তিস্তর স্থাপন করা হয় ১৯৬২ সালে । এর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন আইয়ুব খান । ১৯৮২ সালের প্রথমদিকে ভবনটির কাজ সম্পন্ন হয় এবং একই বছর ২৮ জানুয়ারি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার এ উদ্বোধন করেন । ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এ ভবনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ।

 

৫৯। সংসদ ভবনের স্থপতি কে ?

(ক) মাজাহারুল হক                                   (খ) লুই আই কান

(গ) এফ আর খান                                     (ঘ) নভেরা আহমেদ

 

উত্তর: (খ) লুই আই কান

ব্যাখ্যা: সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান যুক্তরাষ্টের নাগরিক । তার শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য নিদর্শন হলো বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ।

 

৬০ । তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনটি জাতীয় সংসদে কবে পাস করা হয় ?

(ক) ২১ জানুয়ারী ১৯৯১                           (খ) ২২ ফেব্রুয়ারী ১৯৯২

(গ) ২৭ মার্চ ১৯৯৬                                 (ঘ) ২৮ এপ্রিল ১৯৯৭

 

উত্তর: (গ) ২৭ মার্চ ১৯৯৬                                

ব্যাখ্যা: আইনটি জাতীয় সংসদে পাস হয় ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক অনুমোদন পায় ২৮ মার্চ ১৯৯৬ । উল্লেখ্য, ৩০ জুন ২০১১ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয় ।

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

৬১। ভারতের সাথে বাংলাদেশের পানি চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?

(ক) দার্জিলিং   (খ) কোলকাতা   (গ) নয়াদিল্লি   (ঘ) ঢাকা

 

উত্তর: (গ) নয়াদিল্লি ।

ব্যাখ্যা: শুল্ক মৌসুমে বাংলাদেশকে গঙ্গা নদীর পানির ন্যায্য অংশ প্রদানের উদ্দেশ্য ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি ১৯৯৬ স্বাক্ষরিত হয় । এতে স্বাক্ষর করেন ভারতের পক্ষে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

 

৬২ । পদ্মা ও যমুনা কোথায় মিলিত হয়েছে ?

(ক) চাঁদপুর   (খ) সিরাজগঞ্জ  (গ) গোয়ালন্দ   (ঘ) ভোলা

 

উত্তর: (গ) গোয়ালন্দ ।

ব্যাখ্যা: রাজবাড়ী জেলায় অবস্থিত গোয়ালন্দে মিলিত হয়েছে পদ্মা ও যমুনা নদী ।অন্যদিকে চাঁদপুরে মিলিত হয়েছে পদ্মা ও মেঘনা নদী ।

 

৬৩। বাংলাদেশে কবে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ?

(ক) ১৯৫৫ সালে  (খ) ১৯৫৭ সালে  (গ) ১৯৬৭ সালে (ঘ) ১৯৭২ সালে

 

উত্তর: (খ) ১৯৫৭ সালে 

ব্যাখ্যা: ১৯৫৫ সালে সিলেটর হরিপুরে সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় এবং তা থেকে ১৯৫৭ সালে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ।

 

৬৪। লালসালু উপন্যাসটির লেখক কে ?

(ক) মুনির চৌধুরী               (খ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লা           (গ) শরৎচন্দ্র চট্টপধ্যায়          (ঘ) শওকত আলী

 

উত্তর: (খ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লা ।

ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলার গ্রাম ও সমাজ – জীবনে এক ধ্রুপদী জীবনধারাকে লালসালু উপন্যাসে রূপদান করেন । তিনি এতে বাংলার লোকায়ত সংস্কার ও ধর্মাচরণের নেপথ্য তথাকথিত ধর্মব্যবসায়ীদের স্বরূপ গভীর জীবনবোধ মমত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেন । উপন্যাসটির ফরাসি অনুবাদ L Arbre Sams Maeme প্রকাশিত হয় ১৯৬১ সালে এবং ইংরেজি অনুবাদ Tree Without Roots প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে ।

 

৬৫ । বাংলাদেশে ফরায়েজী আন্দোলনের প্রবক্তা কে ?

(ক) দুদু মিয়া (খ) তিতুমীর (গ) হাজী শরীয়তউল্লাহ (ঘ) সৈয়দ আহমদ

 

উত্তর:

ব্যাখ্যা: মুসলমানদের ফরজ কাজসমূহ পালনের উদ্বুদ্ধ করার আন্দোলনই ফরায়েজী আন্দোলন, যার নেতৃত্ব দেন হাজী শরীয়তউল্লাহ এবং তার মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন একমাত্র দুদু মিয়া ।

 

৬৬ । বর্তমানে বাংলাদেশে গড়পড়তা মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার ?

(ক) ২৪২ ডলার (খ) ৩০০ ডলার (গ) ২৮৯ ডলার (ঘ) ৪০০ ডলার

 

উত্তর: Note

[Note : বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৮ অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১৯৫২ মার্কিন ডলার।]

 

৬৭। ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবির প্রথম দাবি কে ছিল ?

(ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তাশাসন  (খ) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা

(গ) তৎকালীন পূর্ববাংলায় ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর মুসলিম লীগ শাসনের অবসানের লক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি মওলানা ভাসানী, কৃষক শ্রমিক পার্টির সভাপতি শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মিলে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য যুক্তফ্রন্ট নামে একটি নির্বাচনী মোর্চা গঠন করেন । হক –ভাসানী –সোহরাওয়ার্দী নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্ররন্টের নির্বাচনী কর্মসূচিই একুশ দফা নামে পরিচিত । একুশটি দফা বিশিষ্ট এ কর্মসূচির প্রথম দাবিই ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা ।

 

উত্তর: (খ) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা ।

 

৬৮ । বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় কোন খাত থেকে ?

(ক) চা (খ) পাট ও পাটজাত দ্রব্য (গ) তৈরি পোশাক (ঘ) চিংড়ি মাছ

 

উত্তর: (গ) তৈরি পোশাক

ব্যাখ্যা: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো – এর অনুসারে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় অর্থাৎ বাংলাদেশের সর্বাধিক রপ্তানি আয় (২০১৭ – ২০১৮) আসে তৈরি পোশাক থেকে (১৫৪২৬.২৫ মিলিয়ন ডলার), যা মোট রপ্তানির ৪২.০৭ । রপ্তানি আয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে নীটওয়্যার । রপ্তানির পরিমাণ ১৫১৮৮.৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানির ৪১.৪২ ।

 

৬৯ । সার্কভুক্ত দেশের শিক্ষিতের হার সর্বাধিক কোন দেশে ?

(ক) ভারতে     (খ) বাংলাদেশে     (গ) শ্রীলংকায়      (ঘ)নেপালে

 

উত্তর: Note ।

 [Note :মানব উন্নয়ন রিপোর্ট ২০১৮ অনুসারে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সাক্ষাতার হার সবচেয়ে বেশি মালদ্বীপে (৯৮.৬ )। এর নিম্নক্রমে শ্রীলংকা (৯১.২ ), ভারত (৬৯.৩), ভুটান (৫৭.০), নেপাল (৫৯.৬), বাংলাদেশ (৭২.৮), পাকিস্তান (৫৭.০) ।]

 

৭০ । OPEC ভুক্ত দেশ কয়টি ?

(ক) ১০টি          (খ) ১১টি             (গ) ৮টি          (ঘ) ১২টি

 

উত্তর : Note ।

 [Note : তেলের উৎপাদন ও মূল্য নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে গঠিত সংস্থা OPEC – এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৪ । ওপেক ১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ৫টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছিল । এ সংস্থাটির সর্বশেষ সদস্য কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ।]

 

৭১ । জাতিসংঘ কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয় ?

(ক) ১৯৪১ সালে  (খ) ১৯৪৫ সালে  (গ) ১৯৪৮ সালে (ঘ) ১৯৪৯ সালে

 

উত্তর: (ক) ১৯৪১ সালে 

ব্যাখ্যা: চীন,ফ্রান্স, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, যু্ক্তরাষ্ট্রসহ মোট ৫১টি দেশ কর্তৃক জাতিসংঘ সনদ অনুমোদনের মধ্যে দিয়ে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ।

 

৭২। নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (NATO)  কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?

(ক) ১৯৪৫ সালে   (খ) ১৯৪৮ সালে  (গ) ১৯৪৯সালে  (ঘ) ১৯৫১ সালে

 

উত্তর: (গ) ১৯৪৯সালে ।

ব্যাখ্যা: কমিউনিজম তথা ওয়ারশ জোট বোধকল্পে ধনাতান্ত্রিক দেশসমুহের সামারিক জোট   NATO ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল  গঠিত হয়। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ২৯।

 

৭৩। নেলসন ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক দলের  নাম কি?

(ক) ইনকথা ফ্রিডম  পার্টি  (খ) ন্যাশনালিষ্ট পার্টি

(গ) আফ্রিকান সোস্যালিষ্ট পার্টি    (ঘ) আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস

 

উত্তর: (ঘ) আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস ।

ব্যাখ্যা: নেলসন ম্যান্ডেলার আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি) প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ জানুয়ারি ১১২ সালে। তিনি ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ মৃত্যুবরণ করেন।

 

৭৪। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি কত তারিখে এবং কোন বছর  স্বাক্ষরিত হয়?

(ক) ২৩ জুন, ১৯৯৬                  (খ) ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬

(গ) ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭                (ঘ) ১০ মার্চ, ১৯৯৮

 

উত্তর: (গ) ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭               

ব্যাখ্যা: ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের লবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সপ্তম জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতির পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।

 

৭৫। ইন্দোনেশিয়ার নতুন রাষ্ট্রপতির নাম কি?

(ক) জেনারেল হাবিবি            (খ) মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী

(গ) আবদুর রহমান ওয়াহিদ     (ঘ) জেনারেল বিরান্তো

 

উত্তর: Note.

[Note:ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি জোকো উইদাদো ২০ অক্টোবর ২০১৪ নির্বাচিত হন। আবদুর রহমান ওয়াহিদ ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার চতুর্থ প্রেসিডেন্ট,যার মেয়াদকাল ১৯ অক্টোবর ১৯৯৯-২৩ জুলাই ২০০১। মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট ও ইন্দোনেশিয়ার পঞ্চম প্রেসিডেন্ট মেঘবতী সুকর্নপুত্রী ক্ষমতাসীন ছিলেন ২৩ জুলাই ২০০১-২১ অক্টোবর ২০০৪ পর্যন্ত। তিনি দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ড. আহমদ সুকর্নের (মেয়াদকাল ১৮.০৮.১৯৪৫-১২.০৬.১৯৬৭) কন্যা]

 

৭৬।  সম্প্রতি কোন দেশকে কমনওয়েলথ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে?

(ক) নাইজেরিয়া   (খ) শ্রীলংকা    (গ) পাকিস্তান    (ঘ) ভারত

 

[Note:১৯৪৯ সালে ২৮ এপ্রিল লন্ডন ঘোষণা অনুযায়ী আধুনিক কমনওয়েলথ আত্মপ্রকাশ করে। ২০০৬ সালের ৮ ডিসেম্বর ফিজিতে সামরিক অভ্যুথানের জন্য অস্থায়ীভাবে দ্বিতীয়বারের মতো দেশটির সদস্য পদ স্থগিত করা হয়। ১ সেপ্টেম্বর ২০০৯ সম্পূর্ণরুপে সদস্যপদ স্থগিত করা হয়। ৬ জুন ২০০০ ফিজির সদস্যপদ প্রথম স্থগিত করা হয় যা প্রত্যাহার হয় ২০ ডিসেম্বর ২০০১। কমনওয়েলথ থেকে অন্য যে দেশগুলোর সদস্যপদ স্থগিত ও প্রত্যাহার করা হয়- নাইজেরিয়া স্থগিত ১১ নভেম্বর ১৯৯৫ (প্রত্যাহার ২৯ মে ১৯৯৯), পাকিস্তান ১৮ অক্টোবর ১৯৯৯ (প্রত্যাহার ২২ মে ২০০৪), জিম্বাবুয়ে ১৯ মার্চ ২০০২(প্রত্যাহার ৭ ডিসেম্বর ২০০৩), পাকিস্তান ২২ নভেম্বর ২০০৭ (প্রত্যাহার ২২ মে ২০০৮)। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করায় পাকিস্তান ১৯৭১ সালে সদস্যপদ ত্যাগ করে এবং ১৯৮৯ সালে পুনরায় যোগদান করে। তবে, সর্বশেষ সদস্যপদ প্রত্যাহার বা ত্যাগকারী দেশ হলো মালদ্বীপ (প্রত্যাহার ১৩ অক্টোবর ২০১৬)।]

 

৭৭। দক্ষিণ এশীয় রাষ্ট্রগুলো কবে সাপটা চু্ক্তি সই করে?

(ক) ১৯৭৬ সালে  (খ) ১৯৮৫ সালে  (গ) ১৯৯৩ সালে (ঘ) ১৯৯৪ সালে

 

উত্তর: (গ) ১৯৯৩ সালে ।

ব্যাখ্যা: সাপটা (সার্ক অগ্রাধিকরা বানিজ্য চুক্তি) হচ্ছে এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্কভূক্ত দেশগুলোর মধ্যকার সম্পাদিত একটি বাণিজ্য চুক্তি। SAPTA-এর পূর্ণরূপ SAARC Preferential Trading Arrangement। ১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে ঢাকায় সার্কের সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনের শেষ দিন ১১ এপ্রিল সার্ক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীগণ এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। SAPTA কার্যকর হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৯৫ থেকে।

 

৭৮। শতাব্দীর সর্বশেষ অলিম্পিক কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?

(ক) রোম    (খ) সিডনি    (গ) মস্কো    (ঘ) টরেন্টো

 

উত্তর: (খ) সিডনি ।

ব্যাখ্যা: শতাব্দীর শেষ অলিম্পিকের ভেন্যু নির্বাচনে সিডনি বেইজিংকে হারিয়ে নির্বচিত হয় সর্বশেষ ২০১৬ সালে অলিম্পিক অনুষ্ঠিত  হয় ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে। ২০২০ সালে ৩২ তম অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হবে জাপানের টোকিওতে।

 

৭৯। কোন চুক্তিতে পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ হওয়ার কথা বলা হয়েছে?

(ক) ন্যাটো (NATO)          (খ) সিটিবিটি (CTBT)

(গ) এনপিটি (NPT)             (ঘ) সল্ট (SALT)

 

উত্তর: (খ) সিটিবিটি (CTBT)।

ব্যাখ্যা: NATO (North atlantic Treaty Organization) হলো এপ্রিল ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, CTBT (Comprehenice Test Ban Treaty) হলো সর্বাত্মক পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি যা স্বাক্ষরিত হয় ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬, NPT (Nuclear Non-Proliferation) হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি যা কর্যকর হয় ৫ মার্চ ১৯৭০।

 

৮০। কয়টি দেশ  নিয়ে জাতিসংঘ যাত্রা শুরু করেছিলেন?

(ক) ৪৮ টি     (খ) ৫০টি    (গ) ৫১ টি    (ঘ) ৬০টি

 

উত্তর: (গ) ৫১ টি।

ব্যাখ্যা: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে ১৯৪৫ সালের ২৫এপ্রিল থেকে ২৬ জুন সানফ্রান্সিসকোতে আন্তর্জাতিক সংগঠন প্রশ্নে জাতিসমুহের সম্মেলনে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘ সনদ রচনা করেন এবং সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী  ৫০টি দেশ ২৬ জুন সনদটি অনুমোদন  ও স্বাক্ষর করে এবং ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। সুতরাং পোল্যান্ড পরে স্বাক্ষর করলেও প্রতিষ্ঠানকালীন সদস্য হিসেবে পোল্যান্ডকেও ধরা হয়।

 

৮১। বেনিন প্রজাতন্ত্র কোন মহাদেশে অবস্থিত?

(ক) এশিয়া    (খ) ইউরোপ   (গ) দক্ষিণ আমেরিকা  (ঘ) আফ্রিকা

 

উত্তর: (ঘ) আফ্রিকা ।

ব্যাখ্যা: বেনিন প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ ।দেশটির রাজধানী পোর্টোনোভা এবং আয়তন ১,১২,৬২০ বর্গ কিমি।

 

৮২। বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহৎ সাহায্যদানকারী দেশ কোনটি?

(ক) জাপান   (খ) জার্মানি   (গ) যুক্তরাষ্ট্র   (ঘ) যুক্তরাজ্য

 

উত্তর: (খ) জার্মানি ।

ব্যাখ্যা: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৮ অনুসারে বৃহৎ সাহায্যদানকারী দেশ জাপান; অর্থের পরিমাণ ৫৮১.০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০১৮-১৮ ফেব্রুয়ারি)।

 

৮৩। গ্রুপ -৭৭ কোন ধরনের দেশ নিয়ে গঠিত?

(ক) উন্নত    (খ) উন্নয়নশীল    (গ) ঔপনিবেশিক    (ঘ) অনুন্নত

 

উত্তর: (খ) উন্নয়নশীল ।

ব্যাখ্যা: তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়শীল দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও বানিজ্যিক স্বার্থরক্ষায় ১৫জুন ১৯৬৪ সালে গঠিত হয় গ্রুপ-৭৭। বর্তমানে এর সদস্য-১৩৪।

 

৮৪। ১৯৯৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরুষ্কার কে পেয়েছেন?

(ক) আর কে নারায়ণন            (খ) অনুন্ধতি রায়

(গ) হারমান হেস                    (ঘ) গুন্টার গ্রাস

 

উত্তর: (ঘ) গুন্টার গ্রাস ।

ব্যাখ্যা: ১৯৯৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরুস্কার পান জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাস। তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘দি টিন ড্রাম’ –এর জন্য তিনি এ পুরুস্কার লাভ করেন। আমেরিকান সংগীত ঐতিহ্যে নতুন কাব্যিক অভিব্যক্তি প্রবর্তনের জন্য ২০১৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরুস্কার লাভ করেন জাপানি বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ ঔপনিবেসিক, চিত্রনাট্যকার ও ছোটগল্পকার কাজুও ইশিগুরো। উল্লেখ্য, যৌন হয়রানী সংক্রান্ত সংকটে সুইডিশ একাডেমি ২০১৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরুস্কার স্থগিত রেখেছে, যা ২০১৯ সালে দেয়া হবে।

 

৮৫। বাংলাদেশ কোন অলিম্পিক গেমসে প্রথম অংশগ্রহণ করে?

(ক) লসওএঞ্জেলস   (খ) আটলান্টা  (গ) মস্কো    (ঘ) মেক্সিকো সিটি

 

উত্তর: (ক) লসওএঞ্জেলস ।

ব্যাখ্যা:  বাংলাদেশ ১৯৮০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে লসএঞ্জেলস অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহণ করে।

 

৮৬। আইফেল  টাওয়ার কোথায় অবস্থিত?

(ক) লন্ডনে   (খ) মিউনিখে    (গ) হংকং –এ    (ঘ) প্যারিসে

 

উত্তর: (ঘ) প্যারিসে ।

ব্যাখ্যা: প্রখ্যাত ফরাসি সেতু প্রকৌশলী আলেকজান্ডার গুস্তাভ আইফেলের নকশাকৃত প্রায় ৩২০ মিটার উচু আইফেল টাওয়ার তৈরি করা হয় ফ্রান্সের প্যারিস নগরীতে ১৮৮৯ সালে।

 

৮৭। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি কমিশনের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

(ক) জেনেভায়   (খ)ওয়াশিংটনে     (গ) ভিয়েনায়   (ঘ) ব্রাসেলসে

 

উত্তর: (গ) ভিয়েনায় ।

ব্যাখ্যা: সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় WTO, Red Cross, ILO, IIU,WIPO, UNCTAD, WHO, UNHCR প্রভৃতি সংস্থা ও সংগঠনের সদর দপ্তর, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে IMF, IBRD, IDA, MIGA, IFC ও ICSID-এর  সদর দপ্তর, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার OPEC, IAEA, ও UNIDO-এর সদর দপ্তর এবং ফ্রান্সের প্যারিসে UNIDO ও Interpol-এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

 

৮৮। ১৯৯৫ সালে বেইজিং- এ অনুষ্ঠিত চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনের মুল স্লোগান কি ছিল? 

(ক) নারীর দৃষ্টিতে বিশ্বকে দেখ    (খ) বিশ্বের নারীরা এক হও

(গ) নারীর অধিকার মানবাধিকার  (ঘ) নারী নির্যাতন বন্ধ কর

 

উত্তর: (ক) নারীর দৃষ্টিতে বিশ্বকে দেখ।

ব্যাখ্যা: ১৯৯৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনে গৃহীত হয় বেইজিং কর্মপরিকল্পনা।

 

৮৯। ধরিত্রী সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?

(ক)জেনেভা  (খ) মেক্সিকো সিটি  (গ) নিউইয়র্ক  (ঘ) রিওডি জেনিরিও

 

উত্তর: (ঘ) রিওডি জেনিরিও ।

ব্যাখ্যা: প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিওডি জেনিরিওতে অনুষ্ঠিত হয়। ২০০২ সালের ২৬ আগস্ট দক্ষিণ আফ্রিকার  জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন।

 

৯০।কোন দেশে নারীরা পুরুষের চেয়ে কম সময় বাচে?

(ক) বাংলাদেশ   (খ) জাপানে   (গ) সুইডেনে   (ঘ) সিঙ্গাপুরে

 

Note: ২১ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয় ২০০০ সালে । ২০০১ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রত্যাশিত গড় আয়ুস্কাল ছিল ৬১.৮ বছর। এর মধ্যে পুরুষ ৬২.৯ ও ৬১.২ বছর। কিন্তু ২০১৮ সালের সমীক্ষার তথ্য মতে বাংলাদেশের প্রত্যাশিত গড় আয়ুকাল ৭১.৬ বছর। এর মধ্যে পুরুষ ৭০.৩ এবং নারী ৭২.৯। সুতরাং ২০০০ সালের প্রেক্ষাপটে সঠিক উত্তর বাংলাদেশ হলেও বর্তমানে বাংলাদেশেও নারীর পুরুষের চেয়ে বেশি সময় বাচে।

সাধারণ বিজ্ঞান

 

৯১। বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তর অবক্ষয়ে কোন গ্যাসটির ভুমিকা সর্ব্বোচ্চ?

(ক) কার্বন-ডাই-অক্সাইড            (খ) জলীয় বাষ্প

(গ) CFC বা ক্লোরোফ্লোরো      (ঘ) নাইট্রিক অক্সাইড

 

উত্তর: (গ) CFC বা ক্লোরোফ্লোরো     

ব্যাখ্যা: সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তরে পৌছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেনে পরিণত করে (CFC+O3-O2+…….)। এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়। এই ফাটল দিয়ে মহাজাগতিক বিভিন্ন রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগরেত ক্ষতিসাধন করে।

 

৯২। ‘ড্রাই আইস (dry ice) হলো-

(ক) কঠিন অবস্থায় কার্বন ডাই-অক্সাইড

(খ) কঠিন অবস্থায় সালফার ডাইঅক্সাইড

(গ) শুন্য ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে বরফ

(ঘ) হাইড্রোজেন পরঅক্সাইডের কঠিন অবস্থা

 

উত্তর: (ক) কঠিন অবস্থায় কার্বন ডাই-অক্সাইড।

ব্যাখ্যা:  কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যা O0C উষ্ণতার এবং সাধারণ চাপের ৪০ গুন চাপে তরলে পরিণত হয়। কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে চাপ প্রয়োগ বাষ্পীভূত  করলে বাষ্পীভবনের প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ  ঐ তরল কার্বন-ডাই- অক্সাইড  হতে গৃহিত হয়।ফলে তরল কার্বন-ডাই- অক্সাইড আরও ঠান্ডা হয়ে (-78.40C) কার্বন-ডাই- অক্সাইড  উৎপন্ন করে। একেই ড্রাই আইস (dry ice)  বলা হয়।

 

৯৩। কোন জলজ জীবটি বাতাসে নিশ্বাস নেয়া?

(ক) শুশুক    (খ) তিমি    (গ) ইলিশ   (ঘ) হাঙ্গর

 

উত্তর: (ক) শুশুক ।

ব্যাখ্যা: ‘শুশুক’ বা ‘ ডলফিন’ পানিতে বাস করলেও মাছের মতো ফুলকার সাহায্যে পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না। এটি  পানি থেকে ভেসে উঠে মাথার ওপর আড়াআড়িভাবে থাকা ছিদ্রের সাহায্যে বাতাস  থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।

 

৯৪।  ডায়বেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সত্য নয় সেটি হলো-

(ক) চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এই রোগ হয়

(খ) এই রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়

(গ) এই রোগ মানবদেহের কিডনি বিনষ্ট করে।

(ঘ) ইনসুলিন নামক একটি হরমোনের অভাবে এই রোগ হয়

 

উত্তর: (ক) চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এই রোগ হয় ।

ব্যাখ্যা: আমাদের দেশের মানুষের ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে যে চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়। প্রকৃত পক্ষে অগ্নাশয় থেকে নি:সৃত ইনসুলিন হরোমানের অভাবে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দেয়। এর ফলে মানবদেহের কিডনি বিনষ্ট হতে পারে।

 

৯৫। কম্পিউটার ভাইরাস হলো-

(ক) এক ধরনের বিশেষ কম্পিউটার প্রোগ্রাম।

(খ) কম্পিউটার যন্ত্রাংশে কোথাও শর্টসার্কিট

(গ) কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের মধ্যে জমে থাকা ধূলা

(ঘ)কম্পিউটারের কোন যন্ত্রাংশ সার্কিটে ঢিলা কানেকশন

 

উত্তর: (খ) কম্পিউটার যন্ত্রাংশে কোথাও শর্টসার্কিট ।

ব্যাখ্যা: কম্পিউটার ভাইরাস এক ধরনের প্রোগ্রাম যা ইন্টারনেট, ডিস্ক বা অন্য যে কোনো মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করে পুরো কম্পিউটার সফটওয়ারে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে কম্পিউটারকে বিকল করে দেয় কিংবা ডকুমেন্টস নষ্ট করে ফেলে।

 

৯৬।এনজিও প্লাস্টি হচ্চে-

(ক) হৃৎপিন্ডের মৃত টিস্যু কেটে ফেলে দেয়া

(খ) হৃৎপিন্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো

(গ)হৃৎপিন্ডের টিস্যুতে নতুন  টিস্যু সংযোজন

(ঘ)হৃৎপিন্ডে নতুন শিরা সংযোজন

 

উত্তর: (খ) হৃৎপিন্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো ।

ব্যাখ্যা: ধমনী দ্বারা রক্ত চলাচল বাধ্যপ্রাপ্ত হলে এর চিকিৎসায় এনজিওপ্লাস্টি ব্যবহৃত হয়। এ পদ্ধতিতে বিশেষ ধরনের যন্ত্রের মাধ্যমে সমস্যাযুক্ত ধমনির সংকুচিত স্থান বিশেষ ধরনের বেলুর দ্বারা প্রসারিত করা হয়।

 

৯৭। দুষিত বাতাসের কোন গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা খর্ব করে?

(ক) কার্বন ডাইঅক্সাইড        (খ) কার্বন মনোক্সাইড

(গ) নাইট্রিক অক্সাইড           (গ) সালফার ডাইঅক্সাইড

 

উত্তর: (গ) নাইট্রিক অক্সাইড          

ব্যাখ্যা:কার্বন ও অক্সিজেনের যৌগ কার্বন মনোক্সাইড (CO) একটি বর্ণ ও গন্ধহীন গ্যাস। শ্বাসবায়ুর সঙ্গে শরীরে গেলে তার মারাত্মক পরিণাম হতে পারে এ বিচার কার্বন মনোক্সাইড তীব্র বিষ-গ্যাস, যা মানবদেহের রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

 

৯৮। স্বাভাবিক আদর্শ পরিবেশে পানির ঘনত্ব যে তাপমাত্রায় সবোর্চ্চ মান পরিগ্রহ করে তা হলো-

(ক)০সেন্টিগ্রেড  (খ)১০০সেন্টিগ্রেড (গ)৪সেন্টিগ্রেড (ঘ)২৬৩সেন্টিগ্রেড

 

উত্তর: (গ) সেন্টিগ্রেড ।

ব্যাখ্যা: পানির ব্যতিক্রমী 40C তাপমাত্রায় এর ঘনত্ব সবচেয়ে বৃদ্ধি পায় এবং এরপর তাপমাত্রা কমালে ঘনত্বহ্রাস পায়। 00C তাপমাত্রা পানি বরফ এবং 1000C- এ বাষ্পে পরিণত হয়।

 

৯৯। যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা সমান নয়, তাদের বলা হয়

(ক) আইসোবার   (খ) আইসোটোপ  (গ) আইসোটোন  (ঘ) আইসোমার

 

উত্তর: (খ) আইসোটোপ ।

ব্যাখ্যা: আইসোটোপের ক্ষেত্রে এটমিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, আইসোবারের ক্ষেত্রে ভরসংখ্যা সমান কিন্তু এটমিক সংখ্যা ভিন্ন, আইসোটোনের ক্ষেত্রে এটমিক সংখ্যা ভিন্ন কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা সমান এবং আইসোমারের ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভরসংখ্যা সমান, কিন্তু শক্তি অবস্থা ভিন্ন।

 

১০০। মাধ্যকার্ষণজনিত ত্বরণ সর্বোচ্চ কোথায়?

(ক) ভূকেন্দ্রে                          (খ) ভূপৃষ্ঠে

(গ) ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০০০ ফুট নিচে    (ঘ)ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০০০ ফুট উচুতে

 

উত্তর: (খ) ভূপৃষ্ঠে ।

ব্যাখ্যা: কোন একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বা ভর বলে। আমরা জানি, ওজন w=mg; এখানে ভর এবং g= অভিকর্ষজ ত্বরণ। বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি। সুতরাং কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল। যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি, সে স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। আর অভিকর্ষজ ত্বরণ যে স্থানে কম বস্তুর ওজন সে স্থানে কম। ভূপৃষ্ঠ থেকে যতই ওপরে বা নিচে যাওয়া যায় ততই      g-এর মান কমতে থাকে। সে জন্য পাহাড়ে বা খনির ভেতরে g- এর মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি। সুতরাং মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন বেশি।

No comments found.